1. m.milon77@gmail.com : Daily Mail 24.live : Daily Mail 24.live
  2. info@www.dailymail24.live : Daily Mail 24 :
শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
লালমনিরহাটে সেভ দ্যা ফিউচার ফাউন্ডেশনের প্রস্তুতি সভা ও আলোচনা অনুষ্ঠিত একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি…… লালমনিরহাট কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস পালিত সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে স্কুল সেরা হলো শামসুন্নাহার শোভা লালমনিরহাটের বড়বাড়িহাটে মিনিস্টার ফ্রিজ এর শো-রুম শুভ উদ্বোধন বুড়িমারীতে মোশারফ স্যার সাহিত্য সংস্থার উদ্যোগে আম কাঁঠালের জৈষ্ঠ্য শুরু অনুষ্ঠান পালিত লালমনিরহাটে জিয়ারতে কা’বা হজ্ব ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস হজ্ব প্রশিক্ষণ, আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আমি আপনার পা/য়/খা/না খাব, আমি চুরি করিনি- আমাকে ছেড়ে দিনঃ নির্যা/তিত শিশুর আকুতি রংপুর বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষকের মুকুট জয় করলেন রমজান আলী আদিতমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মিলি

তিমির হননের প্রত্যয়ে শেষ হলো মঙ্গল শোভাযাত্রা 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি।।

‘আমরা তো তিমিরবিনাশী’- এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে, তিমির হননের প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৪৩১ সনের বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবারের শোভাযাত্রার স্লোগানটি কবি জীবনানন্দ দাশের ‘সাতটি তারার তিমির’ কাব্যগ্রন্থের ‘তিমিরহননের গান’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রার ৩৫ বছর পূর্তি হলো এ বছর।

রোববার সকাল সোয়া ৯টায় শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে শুরু হয়। এরপর শাহবাগের ঢাকা ক্লাবের সামনে দিয়ে ঘুরে টিএসসি মোড় হয়ে ফের চারুকলার সামনে গিয়ে পৌনে ১০টার দিকে শেষ হয় শোভাযাত্রা।

শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এএসএম মাকসুদ কামাল। শোভাযাত্রায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী দীপু মনি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। শোভাযাত্রা উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো ছিল পুরো এলাকা।

শোভাযাত্রা উপলক্ষে সকাল থেকেই টিএসসি, দোয়েল চত্বর, শাহবাগ ও এর আশপাশের এলাকায় মানুষ জড়ো হতে থাকে। সকাল ৯টার মধ্যেই পুরো এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

শোভাযাত্রা ঘিরে ছিল কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। পুলিশ, র‌্যাবের সঙ্গে ছিল সোয়াত সদস্যরা। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও তৎপর ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে ড্রোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানস্থল পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে।

এবারের শোভাযাত্রার শিল্প-কাঠামোগুলোর মধ্যে ছিল ময়ূর, হাতি, গন্ধগোকুল, টেপাপুতুল। মঙ্গলের বারতা পেঁচা। এছাড়া ছিল পাখি, মাছ, রাজা-রানির মুখোশ। শোভাযাত্রায় আরও ছিল মা ও শিশু, কাঠঠোকরা ও বাঘের মুখোশ।

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের অপরিহার্য অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। মিলেছে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হয়েছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা।
শুরু থেকেই চারুকলার শোভাযাত্রাটির নাম ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ছিল না। তখন এর নাম ছিল ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। ১৯৯৬ সালে এর নাম হয় ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓