1. m.milon77@gmail.com : Daily Mail 24.live : Daily Mail 24.live
  2. info@www.dailymail24.live : Daily Mail 24 :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন

নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা বস্তুনিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার 

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন- আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা বস্তুনিষ্ঠ হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘অনেক সময় গণমাধ্যম ঠিক প্রয়োজনীয় অংশটুকু রেখে, আগে এবং পিছে যা বক্তৃতায় বলা হয়, তা বাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এটাও সকল সময় করে না, মাঝে মাঝে এটা করে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।’ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।

সিইসি বলেন- ‘বৈঠকে উনি (মানবাধিকার চেয়ারম্যান) মন্তব্য করেছেন যে, আমাদের গণমাধ্যমের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিত এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে, সার্বিক নির্বাচন প্রক্রিয়া বা রাজনৈতিক  প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখা প্রয়োজন । আমরা উনার সাথে সহমত পোষণ করি।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- ‘নির্বাচনী মাঠে আমরা ঘুরে বেড়িয়েছি। প্রার্থীদের সাথে কথা বলেছি। প্রশাসনের সাথে সভা করেছি। তাদের কাছ থেকে খুব বেশি অভিযোগ আমরা পাইনি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতা, কিছুকিছু ক্ষেত্রে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, পোস্টার ছেড়া হয়েছে। কিন্তু মোটা দাগে খুব বেশি ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয় না। তবে সহিংসতা একেবারে  হয়নি, সে কথা বলছি না।’

হাবিবুল আউয়াল বলেন- ‘আশা করি এটা গ্রাজুয়েলি ঠিক হয়ে যাবে, আর কয়েকটা দিন আছে। আমরা আমাদের আবেদন রাখছি, প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখছি। তারা যেন এটাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন। একটা সময় এ  প্রচারণা বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর ভোটের দিন আসবে।’ সিইসি বলেন- ‘আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগটায় জোর দিচ্ছি। সেখানে পোলিং এজেন্টরা  থাকবেন, কেন্দ্রের ভিতরে পোলিং এজেন্টদের ভারসাম্যটা রক্ষা করতে হবে। সেখানে কোনো আনঅথরাইজ পারসন যেন প্রবেশ করতে না পারে এবং বাহির থেকে, ভেতর থেকে গণমাধ্যম যদি কোনো অনিয়মের ছবি ক্যাপচার করে এবং এটা যদি সম্প্রচার করতে পারে, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাব। এভাবে একটা দৃশ্যমানতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাটা যদি ফুটে উঠে, তাহলে এর ক্রেডিবিলিটি বেড়ে যাবে এবং রং পারসেপশন তৈরি হওয়ার সুযোগটা কম হবে বলে আমি আশাবাদী।’

তিনি বলেন- মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নির্বাচনকালীন মানবাধিকারের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলোকে হাইলাইট করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন এবং জানেন যে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং নির্বাচিত করা একটি ফান্ডামেন্টাল হিউম্যান রাইট, মৌলিক মানবাধিকার। উনি আমাদেরকে সহযোগিতা করতে চান। আমরাও উনাদের সহযোগিতা করতে চাই এবং করবো।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓