1. m.milon77@gmail.com : Daily Mail 24.live : Daily Mail 24.live
  2. info@www.dailymail24.live : Daily Mail 24 :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন

সেন্টমার্টিনে কুকুরের আধিক্য নিয়ন্ত্রণে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্ধ্যাকরণ শুরু

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে কুকুরের আধিক্য নিয়ন্ত্রণে বন্ধ্যাত্বকরণ কর্মসূচী শুরু করছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার ২৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে সেন্টমার্টিন সৈকতের জেটিঘাটে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি শুরু করা হয়।
এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মো. আদনান চৌধুরী।

এ সময় সেন্টমার্টিনদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও চিকিৎসকগন উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রে জানা যায়,সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রায় হাজার খানেক কুকুর বিচরণ করছে। ছোট্ট দ্বীপটির লোকসংখ্যা অনুপাতে তা একটু বেশি। মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন বলে কুকুরগুলো অন্য এলাকায় যেতে পারেনা।

অত্যাধিক কুকুরের কারণে সৈকতে মা কাছিম ডিম পাড়তে আসেনা। কুকুরের আক্রমণের ভয়ে অনেক সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা কুকুরের প্রতি নির্দয় আচরণ করে।

দেশের অন্য এলাকার কুকুরের সঙ্গে সেন্টমার্টিনে বসবাসরত কুকুরের মধ্যে পার্থক্য আছে।এখানকার কুকুরগুলোর স্বাভাবিক প্রজনন হার অনেক বেশি এবং কুকুরছানার মৃত্যুহারও কম।

এ কারণে অ-নিয়ন্ত্রিত কুকুর বৃদ্ধিতে দ্বীপের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য,স্বাভাবিক বাস্তুসংস্থানের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার পক্ষে ক্রমশ বড় হুমকি হয়ে উঠছে।এ জন্য ঢাকা থেকে ৩ জন রেজিস্টারড ভেটেরিনারি ডাক্তার, ৫ জন ভেট সহকারি, ও ২৫ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকের টিম কাজ করছেন।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের বোর্ড সদস্য মো. জামাল উদ্দিন বলেন,কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তাদের নৃশংস নিধন কিংবা অপসারণ কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। কুকুর নিধন, অপসারণের কাজটি বেশ অমানবিক, বিপজ্জনক। পরিবেশ দূষণ ও রোগ সংক্রমণের বড় কারণ। এতে ব্যয়ও অনেক। এতে তাদের সংখ্যা আপাতত কমছে মনে হলেও পরবর্তীতে উল্টো বেড়ে যায়। কুকুর নিধন কিংবা অপসারণ বৈজ্ঞানিকভাবে অকার্যকর প্রমাণিত।

উদ্ভূত এসব সমস্যা নিরসনে একমাত্র বন্ধ্যাকরণ-ই সেন্টমার্টিনে কুকুরের সংখ্যাধিক্য হ্রাস ও নিয়ন্ত্রণের টেকসই এবং বিজ্ঞানসম্মত সমাধান। পাশাপাশি কুকুরগুলোর দায়িত্বশীল অভিভাবকত্ব/মালিকানা প্রসারণ, সুষ্ঠু খাদ্যবর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং অন্যত্র অ্যাডপশন প্রয়োজন।এবং এ কারনে আন্তর্জাতিক প্রাণীকল্যাণ স্ট্যান্ডার্ড মেনে সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র‍্য রক্ষার দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়েছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন, জেলা প্রশাসন কক্সবাজার ও উপজেলা প্রশাসন টেকনাফ।

তিনি আরো বলেন,বিদ্যানন্দসেন্টমার্টিনে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র রক্ষায় প্রথমবারের মতো বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই বন্ধ্যাকরণ কার্যক্রম শুরু হলো।

তিনি আরো বলেন,বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এই কর্মসূচীর পাইলট ফেইজে প্রায় ২০০ কুকুর কে বন্ধ্যাকরণ করা হবে। এই ফেইজে সফল হলে পরবর্তীতে বাকী কুকুরগুলোরও বন্ধ্যাকরণ করা হবে বলে তিনি জানায়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন,বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন একটি চমৎকার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।দ্বীপে কুকুরগুলোরও বন্ধ্যাকরণ করা প্রয়োজন। কারন দিন দিন কুকুরের সংখ্যা বেড়ে চলছে।কারন কুকুর গুলো দ্বীপের বাহিরে যেতে না পারেনা।তাই এটি একটি ভালো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছেন এ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের এই কর্মসূচীর পাইলট ফেইজে প্রায় ২০০ কুকুর কে বন্ধ্যাকরণ করা হবে। এই ফেইজে সফল হলে পরবর্তীতে বাকী কুকুরগুলোরও বন্ধ্যাকরণ করা হবে বলে তিনি জানায়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন,বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন একটি চমৎকার উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। দ্বীপে কুকুরগুলোরও বন্ধ্যাকরণ করা প্রয়োজন। কারন দিন দিন কুকুরের সংখ্যা বেড়ে চলছে।কারন কুকুর গুলো দ্বীপের বাহিরে যেতে না পারেনা।তাই এটি একটি ভালো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছেন এ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓