1. m.milon77@gmail.com : Daily Mail 24.live : Daily Mail 24.live
  2. info@www.dailymail24.live : Daily Mail 24 :
শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন

১কোটি ১৫লাখ মানুষ সরকারের নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাচ্ছেন

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

দেশের ২৬২টি উপজেলার ১কোটি ১৫লাখ প্রান্তিক মানুষ সরকারের নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাওয়ায় তা দারিদ্র্য দূরীকরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। সমাজকল্যাণ সচিব মোঃ খায়রুল আলম শেখ আজ বলেন- ‘দেশের বিপুল সংখ্যক গ্রামীণ প্রান্তিক মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বেষ্টনী প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।’

তিনি বলেন- গ্রামীণ প্রান্তিক জনগণকে সমস্ত অর্থনৈতিক কষ্ট কাটিয়ে উন্নত জীবন পেতে সহায়তা করার জন্য সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচি প্রসারিত করেছে। সচিব যোগ করেন, সরকার হিজড়া, বেদে, চা শ্রমিক এবং অন্যান্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সাথে সকল ছিন্নমূল মানুষকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় আনার জন্য কাজ করছে।

সম্প্রতি সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেছেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ হিসেবে দেশ গড়তে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে চারটি সামাজিক নিরাপত্তা বিষ্টনীর কর্মসূচির মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১কোটি ১৫লাখ। এর মধ্যে ৫৮.০১ লাখ বৃদ্ধ, ২৫.৭৫ লাখ বিধবা ও নির্যাতিত নারী এবং ২৯লাখ শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ।

এতে বলা হয়, সরকার প্রতি বয়স্ক ব্যক্তিকে নগদ ভাতা হিসেবে মাসিক ৬০০ টাকা, বিধবা ও নির্যাতিত নারীদের জন্য ৫৫০ টাকা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীকে মাসিক ৮৫০ টাকা করে দিচ্ছে। সরকার চলতি অর্থবছরে (২০২৩-২০২৪) ১.০ লাখ শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি হিসেবে ১১২.২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

সচিব বলেন- ‘বয়স্ক, বিধবা ও নির্যাতিত নারী এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে সরকার-থেকে-ব্যক্তি (জি-টু-পি) পদ্ধতি অনুসরণ করে সরাসরি এমএফএস (মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস) এর মাধ্যমে ভাতা দেওয়া হয়। এসএসএন প্রোগ্রামের অধীনে শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তিও বিতরণ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন- বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিন্নমূল, বৃদ্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধী, অসহায়, বিধবা, নির্যাতিত নারীদের জন্য ভাতা এবং বিভিন্ন সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি চালু করেছেন। এছাড়া সরকার অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও প্রতিবন্ধী যুবকদের শিক্ষার জন্য সহায়তা দিয়ে আসছে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে, ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে ১২,২০৯ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিল ১.০ লাখ।

প্রাথমিক স্তরের প্রতিটি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছাত্র প্রতি মাসে ৭৫০টাকা, মাধ্যমিক স্তরের প্রতি ছাত্র ৮০০টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের ছাত্র ৯০০টাকা এবং উচ্চ স্তরের ছাত্র ১,৩০০টাকা প্রতি মাসে পাচ্ছেন। প্রতি মাসে মোট ১ লাখ শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাচ্ছে।

প্রতিমাসে ৬০০টাকা ভাতা পাচ্ছেন এমন তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২,৬০০-এ দাঁড়িয়েছে। ৫,০৬৬ বেদে সম্প্রদায়ের মানুষ মাসে ৬০০ টাকা ভাতা পাচ্ছেন। প্রত্যেক চা শ্রমিক বছরে ৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন এবং চা শ্রমিকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারে।

বাংলাদেশ পোস্ট অফিসের উদ্ভাবনী ও প্রতিশ্রুতিশীল ডিজিটাল আর্থিক সেবা ‘নগদ’র হেড অব মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, জাহিদুল ইসলাম সজল বলেন- নগদের মাধ্যমে মোট ৭৫ শতাংশ ভাতা বিতরণ করা হচ্ছে। ‘সরকারের চালুকৃত সুবিধাভোগীদের সমস্ত ভাতা ‘নগদ’ সরাসরি বিতরণ নিশ্চিত করছে,’ তিনি যোগ করেন।

সরকার শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রতিমাসে মাথাপিছু ৩,৫০০টাকা খরচ করছে, আর বেসরকারি এতিমখানায় এতিমরা প্রতি মাসে মাথাপিছু অনুদান হিসেবে পাচ্ছে ২হাজার টাকা।

এছাড়াও সরকার একজন অসহায় রোগীর ক্যান্সার, লিভার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে পঙ্গু এবং জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগের চিকিৎসার জন্য বার্ষিক ৫০হাজার টাকা দিচ্ছে।এদিকে সারাদেশে ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, পক্ষাঘাতগ্রস্ত, স্ট্রোক, হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: 𝐘𝐄𝐋𝐋𝐎𝐖 𝐇𝐎𝐒𝐓